আরণ্যক টিটোর চারটি প্রবন্ধ

0

ব্যক্ত> ব্যক্তি> বক্তা> প্রতিষ্ঠান

…………………………………
যিনি ব্যক্ত করেন তিনিই ব্যক্তি ও বক্তা!…
ব্যক্ত(ই)র ব্যক্ত হওয়ার যে প্রবণতা, তার মাঝেই প্রতিষ্ঠানের রূপচিন্তন নিহিত!

যা সে প্রয়োগ করেছে জীবন আচারের মর্মে,

এখানেই তার প্রবাহ, বিকাশ! প্রবাহের নাম, নদী! প্রবাহিত স্রোতধারায় নদী বাঁক নেয়, রূপ বদলায়! …
তেমনি ব্যক্ত(ই)র ব্যক্তভাববিশ্বের প্রবাহমানতায় যে রূপের বিকাশ—

(একক আমি’র অথবা যৌথ আমি’র) ব্যক্ত(ই)ত্বময় অজস্র প্রতিষ্ঠান/ অজস্র রূপচিন্তন,

তার মর্মমূলেই ‘বিরোধিতা’ বিদ্যমান থাকে।

কারণ,

বিরোধ না থাকলে বিকাশ থাকে না, থাকে (একই ব্যক্তের/মৌলের পুনঃ আবর্তন) মৌলবাদ! …
আর বিকাশ থেমে যাওয়া মানে, স্থবিরতা!

যা ব্যক্ত(ই)র ব্যক্ত হওয়ার পথে অন্ত+রায়, অন্তরা’য় বেজে ওঠা সুর!…

ব্যক্ত-রূপচিন্তনময় প্রতিষ্ঠান নতুন ব্যক্ততাকে স্বীকার করে না,

কারণ,

নতুন ব্যক্ততা যে দৃষ্টিভঙ্গিমায়/স্টাইলে বিশ্বপরম্পরায় আলোকপাত করতে চায় তা পুরাতনী ব্যক্ততাকে সংকটপ্রবণ করে তোলে!…
(আর যেখানে সংকট সেখানে বিরোধিতা> সংঘর্ষ> নির্মাণ!…)

ব্যক্তির ব্যক্তভাববিশ্বে অনুভূতিজাত সম্পর্ক ও আন্তঃসম্পর্কের পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রময় প্রতিষ্ঠানে ‘প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা’ আসলে ফ্যাশন না!

প্রতিষ্ঠিত, ‘নির্মিত সত্যের’ ‘প্রতিসত্য’ময় জগৎ দর্শন, এর মর্ম! ভাবনার ‘বিপরীত ভাবনা’কে জাগাতেই প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা নম্যঃ।

এর বেঁচে থাকা বিপ্লবের মহত্তর লক্ষ্য—

একক কিংবা যৌথ ব্যক্তির বাক্ত(ই)ত্বময় নবতর সন্দর্শনে!…

যারই বিহনে,

বলছে প্রকৃতি: ওরে নবীন/ ওরে আমার কাঁচা/ আধমরাদের/ ঘা মেরে তুই/ বাঁচা!…

 

(প্র)গতিশীলতা

একটা কালের
জীবন চর্চার সবগুলো অনুসিদ্ধান্ত কালোত্তীর্ণ হয় না!…
পরবর্তী কালের ধারাপ্রবাহে না-উত্তীর্ণ অনুসিদ্ধান্ত বাদ দিয়ে
কালোত্তীর্ণ সিদ্ধান্তের ভেতরে
নতুন চিন্তার জল আনা,
নবনীতা জলের বোধনে স্নান করা হলো (প্র)গতিশীলতা!…
গতিতত্ত্বের
প্র(ফুল্ল)গতির টানে ছুটে চলা
জীবনের গতিটুকুকে উজানে ভাসানো প্রগতিকামী মাঝি যে জন, সে জন জানে,
এ-তে কূল রাখা যায়, শ্যামও;
কুলাঙ্গার> কুল পোড়ানো অঙ্গার
কিংবা কুলহারা কলঙ্কিনী হওয়ার (অপ)বাদ সইতে হয় না!…
বর্তমান ব্যতীত ভবিষ্যত হয় না যেমন, তেমনি অতীত ব্যতীত বর্তমান হয় না!
এই দুইয়ের পরম্পরা ব্যতীত এগিয়ে যাওয়ার অর্থ হলো,
কুল হারা, শ্যাম হারা! …
নিশ্চয়,
‘প্রগতি’, ‘প্রগতিশীল’ ও ‘প্রগতিশীলতা’ শব্দের এইসব অর্থের ব্যঞ্জনা ভাষা অভিধান ও সঙবিধানে লেখা আছে! …

 

জামা

…………….

আমি আমার কোনও জামাকে পরিত্যক্ত ঘোষনা করিনি,
যখন যে জামাটি ধীরে ধীরে ছোট হয়ে গেছে/যাচ্ছে,
কিংবা পুরোনো হয়েছে/হচ্ছে, সেটিকে ধীরে ধীরে পরিধান করা ছেড়ে দিয়েছি/দিচ্ছি,
নতুন জামা বানিয়েছি/বানাচ্ছি, ঘোষনা না দিয়ে…
এমন কী আমি সে জামার বর্তমান উপযোগীতা বিষয়ক বিতর্কও করবো না!
কেননা,
জামাটি তো আমি ভালোলাগা, প্রয়োজন থেকেই বানিয়েছি/পরেছি/বানাচ্ছি/পরছি…
সে-তো আমার প্রয়োজনীয় অংশ ছিলো/আছে…
সময় ও আমার রূপচিন্তনই নির্ধারন করে দিবে, কখন কোন জামাটি চাই!
কেবল
জামাটি না, জীবনসমগ্রতারও!
এবং জীবনসমগ্র নিয়ে আমার দ্বান্দিক অবস্থান, লড়াইয়ের কৌশলেরও!
খোঁচাখুঁচি, হাতাহাতি, চুলাচুলি, কামড়াকামড়ি, তীরধনুক অশ্ববাহিনির ময়দান, জলপথ, আকাশপথের রণাঙ্গন থেকে আসা আজকের ভার্চুয়াল রণাঙ্গনে!
(ইউকিলিকস’ই এ যুগের প্রমিথিউস!)
এখানে রণাঙ্গনই মৌলিক সত্য, কৌশল না! কৌশল বদলায়, সময় বদলায়!
কৃষ্ণকালা বলেছেন, পরিবর্তনই জগতের ধর্ম!…

জামা বিষয়ক
বারতাটি পাঠানো চাই,

বার্তাবাহক পায়রা কিনা ডাকঘর নাকি মেইল… সে ভাবনা, সময়বিবেচ্য, এমন কি জামাটিও! …

 

লক্ষ্মী, লক্ষ্মীর পাঁচালি, নতুন আলোয় দেখা

 

“এস মা লক্ষ্মী, কমল বরণী, কমলালতিকা দেবী কমলিনী-

কমল আসনে, বিরাজ কমলা, কমলময়ী ফসলবাসিনী।।

কমল বসন, কমল ভূষণ, কমনীয় কান্তি অতি বিমোহন।

কোমল ক’রে, শোভিছে কমল, ধান্যরূপা, মাতঃ জগৎপালিনী।।

কমল কিরিটি মণি মনোহরে, কমল সিঁদুরে শোভে দেখি শিরে।

কোমল কন্ঠে কমল হারে, কোমল বদন দেখি যে সুন্দরে।।

কমল চরণে কমল নূপুর, কমল অলক্ত মরি কি সুন্দর।

দীন মধুসূদনের সন্তাপ হর তুমি নারায়ণী শান্তিপ্রদায়িনী।।”

—- শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর আবাহন

 

বানিজ্যে বসতি লক্ষ্মী > প্রোডাক্টিভিটি!…

লক্ষ+ঈ> লক্ষ্মী

লক্ষ্মী। পৌরাণিক দেবী। উর্বরতার দেবী। ভারতীয় পুরাণে যাকে পূজা করা হয় উর্বরতার উৎকর্ষে। লক্ষ্মীর বাহন পেঁচা। পেঁচার ডানায় চড়ে লক্ষ্মী আসে, বাঙলার কুলে,…

লক্ষ্মী নামক এই দেবী এক নারী, একজন মানুষ! একটি মানুষ কী ভাবে একটি পাখির ডানায় চড়ে আসতে পারে, ভাবনার বিষয়, ভেবে কিনার পাই না, হয়তো বা যায়, যেতে পারে… যাক! কে তারে যেতে বাধা দেয় নদীটির কূলে…

বার মাসে তের পার্বণের দেশ, অর্থাৎ শ্যামলি বাংলার রূপশালি জনপদে লক্ষ্মীর আগমনে সাড়া পড়ে যায় সনাতন ধর্ম্মাবলম্বীদের মাঝে, নদীটির মনে।…

মন্দিরে মন্দিরে জাগে সাজ সাজ রব, উলুধ্বনি। হৃদয়ে মাতম ওঠে ঢাক ঢোলের মেঠোসুরে, গলায় জাগে গান— টাকঢুম টাকঢুম বাজে বাংলাদেশের ঢোল।……..

যদিওবা, লক্ষ্মী নামক এই চরিত্রটি কেবল ধর্ম্মীয় মাত্রায় বাঁধা পড়েনি, হয়ে ওঠেছে বাঙলীর সর্বজনীন নারী!…

যাক,

এতো গেলো ধর্ম্মের কথা… কর্ম্মের কথায় আসি, মর্ম্মের কথায় আসি, মর্ম্ম? মর্ম্ম— মর্ম্মের ভিতরে লুকায়িত মর্ম্ম! এই মর্ম্ম বুঝতে হলে চলুন একটু ঘুরে ঘুরে আসি ঘুরতি পথের মর্ম্ম থেকে, কর্ম্ম থেকে, ধর্ম্ম থেকে,…

ধরা যাক,

* ছেলেটি লক্ষ্মীছাড়া! মা ছেলেটিকে র্ভৎসনা ক’রে। অর্থাৎ ছেলেটিকে ছেঁড়ে গেলো লক্ষ্মী, পাড়ার ষোড়সি মেয়েটি না, যে বকুলের বনে ডেকে নেয় চুপিচুপিঘ্রানে! সে ছেঁড়ে গেলে মা বরং খুশিই হয়, হাঁপ ছেড়ে বাঁচে।…

* মেয়েটি খুবই লক্ষ্মী, তার লক্ষ্মীহাতের ছোঁয়ায় সঙসারটা ভরে ওঠেছে, ধনেধান্যে!…

* ছেলেটি খুবই লক্ষ্মীসোনা, ইশকুলে যায়, পড়ায় মনোযোগ, ভালো রেজাল্ট ক’রে, প্রজাপতির পেছনে ছোঁটে না দুরন্ত দুপুরে…

এমত

অনেক কথা, জীবনযাপন, ভরে আছে আমাদের চারপাশে,………………………………….

আমরা এবার

একটু অন্যপথে যাই, ঘুরে আসি, ঘুরতিপথের গানে, গানের মর্ম্ম থেকে তুলে আনি, অন্যগান! অন্যকথা!…

এখন একটি গল্প বলি, গল্পটি এরকম —

কৃষিকেন্দ্রিক এইদেশে আজ শিল্পবিপ্লবের যুগ, (কল+ই)কলি/যন্ত্রসভ্যতার যুগ, এই যুগযন্ত্রনায়, গাড়লের মতোন কেশে যাওয়া মটর গাড়ির নীচে চাপা পড়ে মারা গেছে নগর ভ্রমনে আসা প্রকৃতি মুখোপাধ্যায়! তবু এই প্রকৃতির কোলে বেঁচে থাকা… তেমনি বেঁচে থাকা একজন কৃষক (যে কর্ষণ করে, কর্ষিতার কাঙ্খায়! মাটির শিৎকারে…) ফসল ফলায়, ভরে ওঠে গোলা! গোলার সোনালি সুখে কাটে দিন, তার ফসলের ধান খেয়ে যায় ইদুরের পাল, সামাজিক ইদুরের পালও… (সমাজ নামক বিধি তাহাকে রক্ষা করে), কিন্তু, প্রকৃতির ইদুরের হানা থেকে বাঁচার জন্যে সে তার ধনধান্য ক্ষেতে প্রয়োগ করেন কীটনাশকবাদ, যার প্রকোপে মারা পড়ে কীটপতঙ্গ, ফসলের রক্ষা হয়! ভরে ওঠে গোলাঘর। বিপরীতে রেখে যায় ভীতি— এই কীটনাশক নাশ করে যায় প্রকৃতির ভারের সাম্যতা, ভাবের সাম্যতা! যেমন, কীটনাশক কেবল ইদুর নাশ করেনি, নাশ করেছে অনেক প্রাণ, অপকারি ও উপকারিও, কেঁচো ফসলের অপকার না, উপকার করে। যেমন, কেঁচো (প্রকৃতির লাঙ্গল) মাটির সঞ্চালন করে, মাটিকে উর্বরা করে, করে ফসলের উপযোগী। কেঁচোকুল হারিয়ে গেলে মমতার সঞ্চালন হবে না আর মাটির হৃদয়ে… কীটনাশক মাখা মরা কীট খেয়ে মারা পড়ে পাখি, যে ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে করে ফসলের উপকার, শোনায় কুজন, বনের মর্মরে, পাতার মর্মরে, কীটনাশক মেশে ফসলের ক্ষেতে, জলে, জল ভরে ওঠে বিষে, মারা পড়ে মাছের মেয়েরা, যারা ধিঁঙ্গি তালে সাঁতরিয়ে বেড়ায় জলের বাসরে, আজ মাছ নেই, আকালের দেশে! শুধু মাছ না, জলের সঙসারে বাঁচা আরো জলজ প্রাণিরাও… লোপ পাচ্ছে ভারের সাম্যতা, ভাবের সাম্যতা, প্রকৃতির… বিষেভরা জল বিল থেকে খাল হয়ে নদী হয়ে একাকার জলের সংসারে… পাশাপাশি শিল্পবিপ্লবেরে ইন্ডাষ্ট্রিয়াল বর্জ্যে ভরে যাচ্ছে খাল বিল নদী ও সাগরের মন,  ভরে যাচ্ছে নদী ও সাগরের তলদেশ, জলের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, উজাড় হচ্ছে বন ও বনানী, নির্বিচারে কাটা পড়ছে পাহাড়, প্রকৃতিবিহীন নগর সভ্যতায় চিমনির ধোঁয়ায় হাঁপিয়ে ওঠছে পরিবেশ, পাখিরা পালাচ্ছে দিগন্তের দিকে, কোথায় অরন্য দেব?  কবির বয়ান: লও এ নগর, ফিরিয়ে দাও হে অরণ্য! এই যেন প্রকৃতির কান্না!! কান্নার ভেতরে কান্না!!!…

এরই মাঝে

ভোরের প্রথম আলো, জানালো, একটি নদীর ইতিকথা —

‘‘বর্ষায় প্রমত্তা, শীত কিংবা হেমন্তে শান্ত সৌম্য গোপলা নদী মির্জাপুরের গর্ব। মির্জপুর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার একটি খ্যাত ইউনিয়ন। গোপলা এখন আর সেই গোপলা নেই। গোপলা এখন মৃতপ্রায়। পলি পড়ে ভরাট হয়ে গেছে । বুকে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। শিকার দুষনেরও। রাবার এবং চা শিল্পের বর্জ্য, লেবু ও আনারস বাগানে ব্যবহৃত কীটনাশকের অবাঞ্চিত দূষণে গোপলা এখন তার অতীত ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে। নদীতে এখন আর আগের মতো মাছ নেইনদীর পাড়ের মানুষের জীবনের গতি অনেকটাই পাল্টে গেছে। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হয়তো জীবিকার তাগিদে থমকে যায়নি। তবে হোঁচট খেয়ে চলছে প্রতিনিয়ত। এখন আর ভীনদেশি (অন্য জেলার) বজরা নৌকা এই নদীতে নোঙর করে না বানিজ্যে তাই লক্ষ্মীরবসতি নেই।…

যেন,

এই নদীটি, বাংলাদেশ… বাঙ্গালী ও বাংলার প্রতিনিধি আজ, বিশ্ব জলবায়ু সন্মেলন আর পরিবেশবাদীদের আন্দোলনের শহরে! …

বানিজ্যে বসতি লক্ষ্মীর উপাচারে আজ তৃতীয় বিশ্বের ধনপতি, পূঁজিবাদী রাষ্ট্রসমুহ মেতে আছে শিল্পবিপ্লবের আঙিনায়, কারখানার বর্জ্য, নির্গত কার্বনে, আজ জলবায়ুর সংকটে পরিবেশ ও প্রকৃতি।… কানে বাজে বিপন্নতার সুর।… বিপন্নতার গানে, জলজ গ্রহনে হারিয়ে যেতে পারে বাঙলাদেশ, রুপসি বাংলা, লক্ষীর বসতি!…

তবে কি নাশক ব্যবহার হবেনা? হবে। হবে ক্ষতিকারক(!) পতঙ্গের দমন। ……………………………..

তবে অন্যভাবে, অন্যগানে! মর্ম্মার্ত এমন—

প্রকৃতিকে প্রতিহত করা যাবে প্রকৃতির ব্যাবহারে, প্রকৃতিকে দিয়ে!

ধরাযাক,

একটি পেঁচার খাদ্য তালিকায় ধরা পড়ে দৈনিক পাঁচটি ইদুর, অন্যান্য ছাড়া। কৃষকের জমির পাশে যে বন, সে বনে বাস করে পেঁচা, লক্ষ্মীর বাহন, কৃষিজমির ক্ষেতের চারপাশে যে বন ও বনানি, মন ও মনানি, যেখানে বাস করে পাখিকুল, ফোটে ফুলকুল, যেখানে বাস করে জীবনানন্দের পেঁচা, ধরাযাক, সেখানে ১০০ টি পেঁচা আছে, দৈনিক একটি পেঁচা পাঁচটি ইদুর খায়, একশটি পেঁচা পাঁচশটি ইদুর খায়, ধরছি, সেখানে জন্মচক্রে হাজারটি ইদুর জন্ম নেয়, আরও রয়ে যায় শতশত! জন্ম মৃত্যু অনুপাতপাড়ে এই ভাবে বয়ে যায় চক্রলীলা, চক্রশীলা…………

ভাবের বাউল জানে, জীবন জীবনে বাঁচে! পরিমিত প্রানের সঞারে জেগে রবে কোলাহল, প্রকৃতির মর্ম্মে মর্ম্মে রবে কানাকানি… জানাজানি……..

যদি,

রাষায়নিক নাশকের বিপরীতে ব্যবহার করা যায়, পাখিবিষ, তবে ফসলের পাশাপাশি বেঁচে থাকবে প্রকৃতির বাধাঁসুত্রে বাঁচা প্রাণীকুল! পাখিকুলের প্রতীক হয়ে দেখা দেয়, পেঁচা! এখানে পেঁচা হলো বাহন, অর্থাৎ মাধ্যম, লক্ষ্মীর আগমনের। লক্ষ্মী নামক কোনও নারী আসে না, লক্ষী নামক উর্বরতা ফিরে আসে প্রকৃতির মর্ম্মে মর্ম্মে! পাখিসমাজের প্রতীক পেঁচা’র ডানায় চড়ে… কৃষক অধিক ফসল ফলায়, ফসলের ঘ্রাণে ভরে ওঠে মন ও মনানি!… গোলার শূন্যতা, দারিদ্রতা, মুছে যায় লক্ষ্মীর হৃদয়ে।…

লক্ষ্মী, বাহন পেঁচা ও কৃষি

নিবিঢ়তার সুতোয় বাঁধা এক মর্ম্মে মর্ম্মের গীতিকা!…

যারই মর্ম্মে মর্ম্মে, কবি, হয়তো কখনো আর বলে ওঠবে না, ঠাকুর, বড়ই নিষ্ফলা তোমার এই দেশ!…

মন্তব্য

টি মন্তব্য করা হয়েছে

logo-1

চারবাকগণ: রিসি দলাই, আরণ্যক টিটো, মজিব মহমমদ, নাহিদ আহসান

যোগাযোগ: ০১৫৫২৪১৯৪৪২, ০১৭১৮৭৬০৮৪৮, ০১৭২০৩০১৬৩০

ই-মেইল: charbak.com@gmail.com
ডিজাইন: ক্রিয়েটর